হোম / এক্সক্লুসিভ / এক অদ্ভুত রহস্যজনক কুয়া!
stone-well

এক অদ্ভুত রহস্যজনক কুয়া!

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রামায়ণে বর্ণিত দুর্ভাগা অহল্যা৷ স্বামীর অভিশাপে পাথর হয়ে গিয়েছিলেন৷ রামের স্পর্শে মিলেছিল মুক্তি৷ পৌরাণিক কাহিনীর রেশ ছড়িয়ে রয়েছে এখনও৷ মানুষের অভিশাপ নয়, জলের ছোঁয়ায় পাথর হয়ে যায় সবকিছু৷ এক অদ্ভুত রহস্যজনক কুয়া৷ যেখানে দুর্ঘটনা বসত পড়ে গেলে তোলার কেউ নেই৷ ধীরে ধীরে সেই ব্যক্তি পাথুরে মানুষে পরিণত হবেন৷ আশ্চর্য দুনিয়ার অত্যাশ্চর্য ঘটনা৷

সবকিছু পাথর করে দেয় এই কুয়োর জল৷ এমনই তার শক্তি৷ ইংল্যান্ডের নেয়ার্সবরো (Knaresborough) টাউন৷ এখানেই রয়েছে সেই রহস্যময় কুয়ো৷ যার জল সব কিছু পাথর করে দেয়৷  আশ্চর্য ক্ষমতার জন্য দুনিয়া কুয়োর মধ্যে পড়ে থাকা গাছের পাতা, কাঠের টুকরো পড়ার কিছু পরেই জমে পাথর হয়ে যায়৷ এর থেকেই ছড়িয়েছে আতঙ্ক৷ চট করে এই কুয়োর ধারে কেউ উঁকি মারেন না৷ যদি একবার কেউ পড়ে যায়…! বাকিটা কল্পনা করে নিন৷

কৌতূহলী অনেকে উপর থেকে টুপি, জুতো রুমাল সহ বিভিন্ন বস্তু কুয়োর জলে ফেলে দিয়েছেন৷ কিছু পরেই সে সব পাথর হয়ে গিয়েছে৷কেউ দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছিলেন টেডি বিয়ার, সাইকেল, কেটলি৷দড়ির কিছু অংশ সহ ঝুলন্ত বস্তুগুলি সম্পূর্ণ পাথরে পরিণত হয়েছে৷ যেন কুয়োর জলে মিশে রয়েছে অহল্যাকে দেওয়ার  অভিশাপ৷

অনেক পুরনো এই কুয়ো৷ এর ধারে এখনও ঝুলছে অষ্টাদশ শতকের টুপি, চেন৷ দুশো আড়াইশো বছর ধরে একই রকম৷ তবে সবকিছুই পাথরে রূপান্তরিত৷ কৌতূহলী অনেকে সাহস নিয়ে ভয়ঙ্কর এই কুয়োর ধারে যান৷ কোনওরকমে কুয়োর গা দিয়ে কিছু একটা ঝুলিয়ে দেন৷ জলের স্পর্শ লাগতেই শুরু হয় ভোজবাজি৷ ধীরে ধীরে পথর হয়ে যায় সেই বস্তু৷

কেনও এমন হয়? উত্তর মিলছে না৷ বিজ্ঞানীরা মাথা ঘামাচ্ছেন৷ তবে জলের ছোঁয়া লাগলেই পাথর হওয়ার ভয়ে কেউ নামতে চাইছেন না৷ ধারণা করা হচ্ছে, জলের এমন কিছু রয়েছে যার রাসায়নিক মাত্রা সবকিছু পাথরে পরিণত করে দেয়৷ রহস্যের সমাধান হয়নি৷ ভয়ঙ্কর শক্তি নিয়ে সবকিছু পাথর করে দেওয়ার নিঃশব্দ হুঙ্কার দিচ্ছে কুয়োটা৷

সূত্র: কলকাতা ২৪

আরও দেখুন

Kim-Jong-Un-missiles

এবার প্রশান্ত মহাসাগরে হাইড্রোজেন বোমা পরীক্ষা করবে উত্তর কোরিয়া!

FacebookTwitterLinkedInGoogle নিউজ ডেস্ক: জাতিসংঘে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়াকে ধ্বংস করে ফেলার হুমকি দিয়েছেন। ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *