সর্বশেষ সংবাদ
হোম / ভিন্ন জগৎ / ঘুরে আসুন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বান্দরবান
20170210_163348

ঘুরে আসুন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বান্দরবান

বান্দরবান থেকে ঘুরে জনি আচার্য্য:

20170210_164831

প্রত্যেক মানুষ কিছুনা কিছু কাজের মধ্যে দিয়ে নিজের জীবন অতিবাহিত করে। তার মধ্যে কিছু অবসরের সময় কাঠিয়ে থাকি। তাই সে অবসর সময়গুলো যদি কাটানো হয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বান্দরবান গিয়ে। যতই দেখবেন মন ছুঁয়ে যাবে সুউচ্চ পাহাড়, সবুজ বনানি, ঘন মেঘমল্লার দল, বাহারি রঙ্গের আকাশ, সোনালী রোদ্দুর, সূর্যের কিরণ, কুয়াশার দল, সাঙ্গু নদীর বহতা , দুর্গম অরণ্য ঘেরা হাজারো ঝড়নার ধারায় বলতে গেলে বিধাতার এক অপরূপ সৃষ্টি।

পুরো বান্দরবান জেলায় প্রাকৃতিক দৃশ্যের ভরপুর। বান্দরবান এলাকায় প্রবেশ করলেই দেখা যায় আঁকাবাকা উচু-নিচু সড়ক এবং অসংখ্য উপজাতিদের আবাস-স্থল। শ্যামল পাহাড়ের গাছ-গাছালি বিভিন্ন পাখিদের সু-মধুর কণ্ঠস্বর শুনে জুড়িয়ে যাবে মন। দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম ১। মেঘলা পার্ক ২। ন্যাচারাল পার্ক ৩। নীলাচল ৪। নীলগিরি ৫। স্বর্ণ মন্দির ৬। রাম জাদি মন্দির ৭। চিম্বুক পাহাড় ৮। বগা লেক ৯। শৈল প্রপাত ১০। প্রান্তিক লেক ১১। তাজিং ডং বিজয় ১২। কেওক্রাডং সহ জানা অজানা আরো অসংখ্যা দর্শনীয় স্থান।

দেশের যেকোন স্থান থেকে বাসযোগে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সংলগ্ন কেরানিহাট থেকে ২৩ কিলোমিটার বান্দরবান সদর। থাকার জন্য রয়েছে নানা রকম আবাসিক হোটেল, সরকারি রেষ্ট-হাউস, জেলা পরিষদ, সড়ক ও জনপথ, বন-বিভাগসহ এলজিইডি ও পার্বত্য জেলা পরিষদের রেষ্ট-হাউস। আরো রয়েছে, উচু পাহাড়ের ঢালুতে কয়েকটি মনোরম কটেজ।

নীলগিরি20170210_171514

স্থানীয় উপজাতিদের হাতে গড়া সুনিপুণ কারুকাজ সবাইকে মুগ্ধ করে। বাতাসের সাথে ছন্দ আর তাল মিলিয়ে প্রাকৃতিক বৈচিত্রময় দৃশ্যগুলো পর্যটকদের আকৃষ্ট করে। স্থানীয় বাজারে পাওয়া যায় পাহাড়ি হরেক রকমের তাজা সবজি, ফলমূল, বিশুদ্ধ মধু ইত্যাদি।

বান্দরবান পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ আলী বলেন, আমরা যথেষ্ট চেষ্টা করি দেশ-বিদেশের পর্যটকদের আনন্দঘন মুহুর্তগুলো যেন নির্ভয়ে কাটাতে পারে এবং মাননীয় সংসদ সদস্য ও পৌর মেয়র কাছে আমার অনুরোধ পর্যটন কেন্দ্রগুলো আরো উন্নত করা হোক।

স্বর্ণ মন্দির এলাকায় কর্তব্যরত প্রশাসনিক কর্মকর্তা রতন দাশ বলেন, আমরা আমাদের সাধ্যমত নিরাপত্তা দিয়ে থাকি যাতে পর্যটকরা কোন ধরনের সমস্যায় সম্মুখিন হতে না হয়।

স্থানীয় এক গাড়ী চালক আহম্মদ হোসেন বলেন, অন্যান্য মৌসুমের চেয়ে শীতের মৌসুমে বান্দরবানে পর্যটকদের ভিড় অনেক বেশি। তাই আমাদের আয় অনেকাংশ বৃদ্ধি পায় এবং সময়টুকু পর্যটকদের সাথে আমরাও একসাথে তাদের আনন্দের অংশীদার হয়ে যায়।

ঢাকা থেকে আসা নীলকমল পাল ও গোপাল পাল বলেন, বান্দরবানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাদের মুগ্ধ করেছে। বিশুদ্ধ বাতাস ও এলাকার মানুষদের সুন্দর আচার-আচারণ পাহাড়ি অঞ্চলের তাজা ফলমূল, আবাসিক হোটেলের মনোরম পরিবেশ ভুলার মতো নয়। বান্দরবান ঘুরতে এসে চোখ আটকে যায় ফার্নিচারের দোকানগুলোতে তাই সখের বশে সেগুন কাঠের ফার্ণিচার তৈরি করতে দিয়েছি। তাই বলছি ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকরা তাদের অবসর সময়টুকু প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে লীলাভূমি বান্দরবানে এসে কাটিয়ে যায়।

আরও দেখুন

stone-well

এক অদ্ভুত রহস্যজনক কুয়া!

FacebookTwitterLinkedInGoogle আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: রামায়ণে বর্ণিত দুর্ভাগা অহল্যা৷ স্বামীর অভিশাপে পাথর হয়ে গিয়েছিলেন৷ রামের স্পর্শে মিলেছিল ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *