হোম / ক্রাইম সংবাদ / প্রথম শ্রেণির স্কুল ছাত্রীকে শিক্ষককের ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

প্রথম শ্রেণির স্কুল ছাত্রীকে শিক্ষককের ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

মাদারীপুর প্রতিনিধি:

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার উমেদপুর গ্রামের প্রথম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে সোমবার সকাল ১০টার দিকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পটু গুহ (৬০) বিস্কুট দেয়ার কথা বলে কলা বাগানে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেছে বলে পারিবারিকভাবে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

পারিবারিক, স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিবচরের উমেদপুর ইউনিয়নের উমেদপুর গ্রামের নুরুল আমীন ডিগ্রি কলেজের পাশে একটি কলা বাগানে ওই স্কুল ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে উমেদপুর গার্লস স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পটু গুহ।

এ সময় স্কুল ছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে বিকেলে শিশুটিকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশুটি উমেদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। গার্লস স্কুলের সাবেক ওই শিক্ষক ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

অপরদিকে একটি প্রভাবশালী মহল বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে পারিবারিকভাবে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় লোক জানায়, শিশুটি হলো মুসলমান পরিবারের এবং ওই শিক্ষক একজন হিন্দু পরিবারের সদস্য। অবসরপ্রাপ্ত ও বয়স্ক একজন স্কুল শিক্ষক এত ছোট একটি শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করে যা খুবই দুঃখজনক। শিশুটির গোপন অঙ্গ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। আমরা এলাকাবাসী ওই শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। তাছাড়া এলাকার প্রভাবশালীরা বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে।

শিশুটির মা বলেন, সকালে আমার মেয়েকে বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে কলাবাগানে নিয়ে নির্যাতন করে শিক্ষক পটু গুহ। আমি নির্যাতনকারী শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. আবু জাফর বলেন, সকালে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। শিশুটি বেশ ছোট। ধর্ষণ হয়েছে কিনা তা পরীক্ষার মাধ্যমে বোঝা যাবে। তাই আমরা শিশুটিকে মেডিক্যাল পরীক্ষা করার জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছি।

সহকারী পুলিশ সুপার (শিবচর সার্কেল) মো. আনোয়ার হোসেন ভুইঞা বলেন, ঘটনা শোনার পরেই আমি ওই এলাকায় গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। শিশুটির ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষক অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক বর্তমানে পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও দেখুন

tasfia_and_mizan

গ্রেপ্তার হলো আত্মগোপনে থাকা তাসফিয়া হত্যা মামলার অন্যতম আসামি!

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: সানসাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণীর ছাত্রী তাসফিয়া আমিন হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত প্রায় আসামি ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook