হোম / দেশজুড়ে / ঢাকা / সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত চুক্তি প্রকাশের দাবি বিএনপির
7

সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত চুক্তি প্রকাশের দাবি বিএনপির

স্টাফ রিপোর্টার:

সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে হওয়া প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, ‘এর ফলে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে কি না, সেই সংশয় এখন বিভিন্ন মহলে আলোচিত হচ্ছে। অবিলম্বে গোপন চুক্তি জনসমক্ষে প্রকাশের জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।’

প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় ঋণ বাস্তবায়ন এবং সার্বিক সহযোগিতা বিস্তারের লক্ষ্যে মোট চারটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে বলে সম্প্রতি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে রিজভী বলেন, ‘সব জনমতকে উপেক্ষা করে আকস্মিকভাবে বাংলাদেশ-ভারত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সরকার। এমনকি তাদের বাছাইকৃত লোক দিয়ে গঠিত একদলীয় জাতীয় সংসদে আলোচনা করারও প্রয়োজন মনে করেনি।’

গতকাল দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এ কথা বলেন।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘দেশের মানুষকে না জানিয়ে এ ধরনের দেশবিরোধী চুক্তির খবরে গোটা জাতি হতভম্ব ও চিন্তিত হয়ে পড়েছে। দেশবাসী মনে করে, আবারও ক্ষমতা দখল করতে দেশবিরোধী এই গোপন চুক্তি করা হয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে ভিন দেশের এক্সটেনশন হতে দেওয়া যাবে না।’

রিজভী বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আসলেই নাচের পুতুলের ভূমিকাই পালন করছেন। এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে বলে বিশিষ্টজনরা মনে করেন। ভারত আমাদের সবচেয়ে নিকটতম প্রতিবেশী। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের তিন দিক দিয়েই সীমান্ত রয়েছে। একই সঙ্গে রয়েছে সীমান্ত প্রতিযোগিতা। তাদের সঙ্গে সীমান্ত প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ায় দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়বে।’

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না অভিযোগ করে রিজভী বলেন, ‘১০ দিন ধরে পরিবারের কোনো সদস্য খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না। কারাগারে খালেদা জিয়ার সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাৎ করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানাই।’

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে বিএনপির এই নেতা গতকাল বলেন, ‘খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আর মাত্র এক দিন বাকি। সেখানে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সন্ত্রাসী তাণ্ডবে ভোটারদের মধ্যে এক ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ক্ষমতাসীনদের দাপটে খুলনা মহানগর জুড়ে এখন শুধুই আতঙ্ক। গত রাতেও (শনিবার রাত) বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার ও বিএনপি নেতাকর্মীদের হুমকি দেওয়া হয়েছে, গণগ্রেপ্তার করা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রে না যেতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। ধানের শীষের প্রার্থী ক্ষমতাসীনদের নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ১৯টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করলেও নির্বাচন কমিশন অভিযোগগুলো আমলে নেয়নি।’

রিজভী অভিযোগ করেন, সরকারি সন্ত্রাসী অস্ত্রধারীদের আনাগোনা চলছে নির্বাচনী এলাকায়। অথচ ইসি নির্বিকার ও নীরব দর্শক। এ কারণেই খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে কানাঘুষা চলছে নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশন সরকারের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বাস্তবায়ন করছে।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা জয়নুল আবদিন ফারুক, আবদুস সালাম, আবদুস সালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও দেখুন

tasfia_and_mizan

গ্রেপ্তার হলো আত্মগোপনে থাকা তাসফিয়া হত্যা মামলার অন্যতম আসামি!

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: সানসাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণীর ছাত্রী তাসফিয়া আমিন হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত প্রায় আসামি ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook