সর্বশেষ সংবাদ
হোম / জাতীয় / এ মাসেই ঢাকা থেকে কেরাণীগঞ্জ কারাগারে বন্দি স্থানান্তর সম্পন্ন হবে
download

এ মাসেই ঢাকা থেকে কেরাণীগঞ্জ কারাগারে বন্দি স্থানান্তর সম্পন্ন হবে

এম সংবাদ ডেস্ক :

চলতি মাসের মধ্যেই নবনির্মিত কেরাণীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে ঢাকা থেকে সকল বন্দি স্থানান্তরের পরিকল্পনা করছে কারা কর্তৃপক্ষ। এদিকে, নবনির্মিত কেরাণীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হলেও নিরাপত্তাজনিত কিছু ত্রুটি রয়ে গেছে। তবে এই ত্রুটিগুলো দূর করা এবং আর কোনো ত্রুটি আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারা কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল একটি সূত্র এতথ্য জানায়। সূত্র জানায়, মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঢাকা থেকে কেরাণীগঞ্জ কারাগারে সকল বন্দি স্থানান্তরের পরিকল্পনা থাকলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে মে মাসেই মধ্যেই স্থানান্তরের কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। সূত্রটি আরও জানায়, কেরাণীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের একটি অংশের প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। তবে পুরো কারা এলাকার মূল নিরাপত্তাপ্রাচীর এখনও তৈরি করা হয়নি। এদিকে, নতুন কারাগারের প্রতিদিনই কিছু না কিছু নিরাপত্তাজনিত ত্রুটি সংশোধন করা হচ্ছে। এর মধ্যে কারাগারের ভেতরে পানি নিষ্কাশনের জন্য তৈরি ড্রেনেজের কোথাও কোনো বড় ফুটো থাকলে তা লোহার গ্রিল দিয়ে বন্ধ করা, যে সেলগুলোর হেজবোল্ট (দরজার ছিটকিনি) দুর্বল সেগুলো পরিবর্তন করে মজবুত করা, এবং ভেতরে থাকা দালানগুলোর ছাদে ওঠার সমস্ত পথ বন্ধ করার কাজ চলছে। এই বিষয়গুলো প্রতিনিয়ত চেক করেই নিরাপত্তাজনিত ত্রুটি সংশোধনের কাজ করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক এক কারা কর্মকর্তা বলেন, এসব ত্রুটি খুঁজে খুঁজে মেরামত করা হচ্ছে। কারণ বন্দিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং তারা যাতে কারাগারের নিরাপত্তায় কোনো বিঘœ ঘটাতে না পারে সেটাই এখন প্রাধান্য পাচ্ছে। বর্তমানে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মোট আট হাজার বন্দির মধ্যে ছয় হাজার বন্দিকে কেরাণীগঞ্জের নতুন কারাগারে স্থানান্তর করা হবে। বাকি দুই হাজার বন্দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হবে। ইতিমধ্যে সেখানে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া প্রায় শেষের দিকে বলেও সূত্রটি জানায়। কারাগারে অবস্থানরত দাগী আসামি ও জঙ্গিদের স্থানান্তরের সময় নিরাপত্তার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। যে কোনো ছুটির দিনে বন্দি স্থানান্তরের কাজে ব্যবহৃত হবে ৪০টি বড় প্রিজনভ্যান। আর স্থানান্তরের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বোচ্চ সহযোগিতা চাইবে কারা কর্তৃপক্ষ। একটি ভ্যানে একবারে ৫০ জন করে তিন বারে ১শ ৫০ জনকে স্থানান্তরের কথা ভাবছে কারা কর্তৃপক্ষ। হিসাব অনুযায়ী, একদিনে স্থানান্তরের জন্য ৪০টি বড় প্রিজনভ্যান প্রয়োজন। তবে ছোট আকারের প্রিজনভ্যান হলে ছয় হাজার বন্দি স্থানান্তরে প্রয়োজন ৬০টি প্রিজনভ্যান। চলতি বছরের ১০ এপ্রিল কেরাণীগঞ্জে নির্মিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার উদ্বোধনের পর থেকে কিছু কিছু করে বন্দি কাশিমপুর কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করে কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যে তা প্রায় শেষের দিকে। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. জাহাঙ্গীর কবির বলেন, মে মাসেই নতুন কারাগারে বন্দিদের স্থানান্তরের কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানান্তরের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বোচ্চ নিরাপত্তা থাকবে যাতে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কোনো প্রকার ঝামেলায় না পড়তে হয়। কারাবন্দি স্থানান্তর প্রক্রিয়া শেষে পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের বিষয়ে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে? জানতে চাইলে সিনিয়র জেল সুপার বলেন, বন্দি স্থানান্তরের পরে কারা অধিদপ্তর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও দেখুন

18195

আগামীকাল সকাল থেকে ফের আন্দোলনের ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

স্টাফ রিপোর্টার: আজকের মতো সড়ক থেকে উঠে যাচ্ছেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থীরা। আগামীকাল ...

Leave a Reply

%d bloggers like this: