হোম / স্বাস্থ্য-সংবাদ / মানসিক চাপ কমাতে যা করবেন
02-

মানসিক চাপ কমাতে যা করবেন

এম সংবাদ লাইফস্টাইল:

জীবনযাত্রাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে হতাশা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু কৌশল উল্লেখ করা হয়।
প্রাণ খুলে হাসুন: পরিবারের জন্য চিন্তা বা কর্মব্যস্ততা ইত্যাদি কারণে মানসিক চাপ বেড়ে যেতে পারে। যা দীর্ঘদিনে শারীরিক অবস্থারও অবনতি ঘটাতে পারে। মানসিক চাপ কমাতে বেশ কার্যকর একটি উপায় হল হাসি। অতিরিক্ত চাপ থেকে মুক্তি পেতে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিন, হাসির সিনেমা দেখুন যে কোনো ভাবে মন খুলে হাসুন। গবেষণায় দেখা গেছে জোরে হাসার কারণে শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গে অক্সিজেন সরবরাহ বেড়ে যায় ও রক্ত সঞ্চালনও বৃদ্ধি পায়। ফলে মানসিক চাপ কমে আসে।

পোষা প্রাণীর সঙ্গে সময় কাটান: পোষা প্রাণী নির্মল ভালোবাসার একটি বিশ্বাসযোগ্য উৎস। তাই প্রিয় প্রাণীটির সঙ্গে সময় কাটালে মানসিক চাপ দূর করে কিছুটা হালকা হওয়া যায়। পোষা কুকুর বা বিড়ালের সঙ্গে কিছুক্ষণ সময় কাটালে শরীরে সেরোটনিন, প্রোলাকটিন ও অক্সিটনিক নামক কিছু হরমোন নিঃসৃত হয় যা ভালো লাগার অনুভূতি সৃষ্টিতে সাহায্য করে। এতে দুশ্চিন্তা ও হতাশা দূর হয় চটজলদি।

গুছিয়ে রাখুন ঘর ও কর্মক্ষেত্র: ঘর ও কাজের জায়গা যদি অগোছালো থাকে তাহলে অনেক ক্ষেত্রেই মানসিক অস্থিরতা কাজ করতে পারে। প্রতিনিয়ত অগোছালো জায়গায় থাকার ফলে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে। যা থেকে চেপে বসতে পারে হতাশা। তাই ঘর ও কার্মক্ষেত্র গুছিয়ে রাখুন। এতে কাজ করাও সহজ হবে আবার মানসিক চাপও এড়ানো যাবে।

ঘরের কাজ করুন: শুনে মনে হতে পারে, প্রতিদিনই তো নিয়ম করে ঘরের কাজ করা হয়, এতে কীভাবে মানসিক চাপ কমবে! তবে নিয়মের থেকে একটু বের হয়ে ঘরের কিছু কাজ করতে পারেন। প্রিয় গান ছেড়ে অগোছালো ড্রয়ার বা ওয়ারড্রপ গুছিয়ে ফেলুন। বারান্দা পরিষ্কার করে সাজিয়ে নিন মনের মতো করে। এই টুকটাক কাজগুলো মানসিক অস্থিরতা কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে।

ভিটামিন সি: লেবু, কমলা, আঙুর, স্ট্রবেরিসহ বিভিন্ন ফলে রয়েছে ভিটামিন সি, যা শরীরে মানসিক চাপ সৃষ্টিকারী হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়া এই খাবারগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।

গলা খুলে গান গাওয়া: যত বেসুরেই হোক না কেনো গান গাইতে নেই মানা। গবেষণায় দেখা গেছে হতাশার সময় গলা ছেড়ে গান করলে মানসিক অবস্থার উন্নতি হতে থাকে।

হাঁটাহাঁটি করুন: মানসিক চাপ কমানোর কার্যকর উপায় ব্যায়াম করা। আর সব থেকে সহজ ব্যায়াম হল হাঁটা। ব্যায়ামের ফলে শরীরে এন্ড্রফিন নামক হরমোন নিঃসৃত হয় যা হতাশা কমাতে সহায়ক। মাত্র ত্রিশ মিনিট হাঁটা, হতাশার মাত্রা ভালোই কমিয়ে আনতে পারে।

শারীরিক সম্পর্ক: অতিরিক্ত হতাশা ও মানসিক চাপ কমাতে শারীরিক মিলন অত্যন্ত কার্যকর। মানসিক চাপ ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনতেও বেশ কার্যকর উপায় এটি। তাছাড়া ভালো ঘুমের জন্যও এটি বেশ উপকারী।

বুক ভরে শ্বাস নিন: বিশুদ্ধ বাতাসে বুক ভরে নিঃশ্বাস নিলে হতাশা উদ্বীপক কর্টিসল হরমোনের পরিমাণ কমে আসে। তাছাড়া শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে তা মানসিক অস্থিরতা কমাতেও সহায়তা করে।

আরও দেখুন

06-

যেসব ছোট ছোট বিপদ সংকেতের মাধ্যমে বুঝবেন সামনে বড় বিপদ

এম সংবাদ লাইফস্টাইল: আমাদের শরীর প্রকৃতির বড় একটি বিস্ময়। অনেক সময়ে বড় কোনো অসুখ শরীরে ...

Leave a Reply

%d bloggers like this: