হোম / সম্পাদকীয় / নিরাপদ খাদ্য চাই
images (1)

নিরাপদ খাদ্য চাই

মোতাহার হোসেন
‘ও ভাই, আমার দেশের মাটি সোনার চেয়ে খাঁটি’ কবিরা কল্পনাপ্রবণ ও ভাবপ্রবণ হয়ে কবিতা বা সাহিত্য রচনা করলেও কবিতার উপরোক্ত লাইনটির বাস্তবে প্রতিফলন ঘটেছে। বাংলাদেশের মাটি খুবই উর্বর। যে ফসলই এখানে উৎপাদন করা হয় তা ফলে শতভাগ। বরং দিন দিন নতুন নতুন প্রযুক্তি ও উন্নত কৃষিব্যবস্থায় প্রতি মৌসুমে ফলে ফসলে ভরে ওঠে বাংলাদেশ। কিন্তু একটি মুদ্রার যেমন দুটি দিক আছে তেমন ক্রমাগত কৃষি উৎপাদন বাড়লেও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এখন বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ। মূলত অনেক সময় খাদ্য উৎপাদনে সঠিক জ্ঞানের অভাব আবার কখনো কখনো অসাধুতা এবং বাজারজাতকরণ ও বিপণনে দক্ষ ব্যবস্থাপনার অভাবে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য জোগানে বা সরবরাহে অনেকটাই পিছিয়ে আছে। বিশ্বের যে কোন দেশের তুলনায় সম্ভবত খাদ্যে ভেজাল বা অনিরাপদ খাদ্যের ছড়াছড়ি বাংলাদেশে বেশি। কিন্তু এমন এক কঠিন বাস্তবতার মুখে আমরা অনেকটা কবির ভাষায় ‘জেনেশুনে বিষ করেছি পান’ অর্থাৎ জেনেবুঝেই প্রতিনিয়ত ভেজাল খাদ্য খাচ্ছি। আর এ কারেণ বাংলাদেশের মানুষ নানারকম রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি মাত্রায়। কিন্তু এটি আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনের আজ প্রধানত সমস্যা বা চ্যালেঞ্জ হলেও সরকারের মনোযোগ ঠিক ততটা পাচ্ছে না। বিশেষ করে খাদ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, বিএসটিআই, এফবিসিসিআইর সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও বাজার, ফসল উৎপাদনস্থল, সরবরাহ চেইন, গুদাম পর্যায়ে মনিটরিং জোরদার করা জরুরি। পাশাপাশি ভেজাল ও অনিরাপদ খাদ্য বিক্রি, উৎপাদন, সরবরাহ, বাজারজাত বন্ধে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ অপরিহার্য।
নিরাপদ খাদ্যের অভাবে দেশের মানুষ নানারকম অনিরাময়যোগ্য রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। আবার কখনো কখনো দূষিত পানি পান, কীটনাশকমিশ্রিত শাক-সবজি, মাছ, মৌসুমি ফল খেয়ে অকালে-অকাতরে মানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার খবরও পত্রিকায় প্রকাশিত হতে দেখা যায়। ঢাকার অদূরে সাভারে এবং যশোর, ময়মনসিংহসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় এমন মৃত্যুর খবর দেশের মানুষকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে ও আলোচনার ঝড় ওঠে।
আবার অনেক সময় ডাক্তারসহ পুষ্টিবিদরা বলে থাকেন, দেশের রোগব্যাধির প্রধান ও অন্যতম কারণও হচ্ছে ভেজাল, নিম্নমান ও অনিরাপদ খাদ্য এবং দূষিত পানি। নানারকম পেটের পীড়া, আলসার, ক্যান্সার, গ্যাস্ট্রিক, বুক জ্বালাপোড়া, ক্ষুধামন্দা, দৃষ্টিশক্তি লোপ পাওয়া, অন্ধ, বোবা, কালা, প্রতিবন্ধী হওয়ার নেপথ্যেও ভেজাল ও অনিরাপদ খাদ্য গ্রহণকে দায়ী করেন চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদরা। এ সমস্যা সমাধানে কৃষির উৎপাদনে সঠিক জ্ঞান, দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি সঠিক কৃষি উপকরণের জোগান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বিশেজ্ঞ মহল। একই সঙ্গে তারা মনে করেন, আরো অনেক কাজ করা দরকার খাদ্যসামগ্রী বাজারজাতকরণ ও বিপণনব্যবস্থার উন্নতিতে। অনুরূপ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কৃষকের কাছে এসব তথ্য নিয়ে যেতে হবে, সচেতনতা বাড়াতে হবে। সব মিলিয়ে কাজ করতে হবে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং কৃষিবান্ধব নীতি ও পরিকল্পনা নিয়ে। সম্প্রতি রাজধানীতে ‘ফুড সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি, সেক্সুয়াল অ্যান্ড রিপ্রোডাকটিভ হেল্থ’ শীর্ষক প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ ধরনের কথা উঠে আসে। কার্যকর এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ভ্যালু চেইন তৈরির মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা বাড়ানো, পর্যাপ্ত ও সুসম খাদ্য বরাদ্দ নিশ্চয়তার মাধ্যমে পুষ্টি ও স্বাস্থ্য অবস্থারও উন্নতির লক্ষ্য নিয়ে নেদারল্যান্ডস দূতাবাস প্রকল্প তিনটি হাতে নেয়। এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে, খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও), কেয়ার বাংলাদেশ ও অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ। ৩ থেকে ৪ বছর প্রকল্পগুলো পরিচালনার জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে বলা হয়, গত দুই দশকে বাংলাদেশ দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। আর এর ফলে অনেক মানুষ চরম দারিদ্র্যতা থেকে বের হয়ে এসেছে। একই সময়ে কৃষি ক্ষেত্রে লক্ষণীয় সফলতা অর্জন এবং ধান উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে বাংলাদেশ। ওই অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ‘আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি কিন্তু মানুষকে নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা দিতে পারিনি। ১৬ কোটি মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্যতা নিশ্চিত করা কঠিন কাজ। নিরাপদ খাদ্য পাওয়া নিয়ে মানুষ এখন খুবই উদ্বিগ্ন। কারণ এটি স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। সে কারণে সাধারণ মানুষ, উৎপাদনকারী, বাজারজাতকারীর মধ্যে উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও বিপণন নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। যে প্রজেক্ট তিনটি হাতে নেয়া হয়েছে, তা এ সমস্যা সমাধানে একটি রোল মডেল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত লিওনি মারগারেথা কিউলেনায়রি বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তা কিংবা নিরাপদ খাদ্যের জন্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও বিপণনব্যবস্থায় শক্ত ভ্যালু চেইন দরকার। প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে কৃষক উন্নতমানের বীজ ও কৃষি উপকরণ পাবে। এর মাধ্যমে কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি হবে, বাড়বে নিরাপদ খাদ্য। নারীর কাজের অংশগ্রহণ ও সুযোগ বাড়বে।’ বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক বলেন, বাংলাদেশ খাদ্য চাষাবাদ ও উৎপাদনে অনেক ভালো করছে। তবে এর বাজারজাতকরণ, নিরাপত্তা বিধানে অনেক পিছিয়ে। জনস্বাস্থ্য ও জননিরাপত্তার জন্য এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা খুবই দরকার। আলোচকরা বলেন, কৃষির উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও বিপণনব্যবস্থার উন্নতি হলে খাদ্য নিরাপত্তা বড়বে। কৃষকের কাছে তথ্য পৌঁছে দিতে হবে, যাতে তারা কীটনাশক ও সার ব্যবহারে সচেতন হয়। বাজার ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানে। সঠিক তথ্য না থাকার ফলে কৃষক নানা ধরনের কীটনাশক ও সার ব্যবহার করছে, যা খাদ্যকে অনিরাপদ করছে। আজকের এ নিবন্ধের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক ও যৌক্তিক বলে মনে হয়েছে কিশোরগঞ্জের হাওর অঞ্চলের লোক ও মরমি কবি-গবেষক ইবনে সালেহ মুনতাসির রচিত ‘নিরাপদ খাদ্য আর পানীয় দেয় যে সুস্থ জীবন’ শীর্ষক লিরিকটি। তিনি তার লিরিকে লিখেছেন, ‘নিরাপদ খাদ্য আজ পানীয় দেয় যে সুস্থজীবন/খাদ্য আর পানীয় ভেজাল হলে যায় যে, সুন্দর জীবন/ভেজালের দুনিয়ায় খাদ্য পানীয় সব কিছু হলো আজ বিষ/ধুঁকে ধুঁকে মরছে মানুষ অকালে অবিলম্বে করতে হবে নির্মূল বায়ু দূষণ শব্দ দূষণ নদী দূষণ আরো কত যে দূষণ/দূষণে ভেজালে নাকাল মানুষ মরছে ভীষণ/খাবারে জলে ঔষধে পণ্যে ভেজালে আর সারা/তিলে তিলে ধুঁকে ধুঁকে মরছে মানুষ যায় না যে পারা চারিদিকে তাকালে দেখা যায় শুধু অসহায় মানুষের ভিড়/দেশে বিদেশে হাসপাতাল চিকিৎসালয়ে ভিড় ফেলছে সবাই শির/সারা দেশের মানুষের অন্তরে বাজছে হাহাকারের ধ্বনি কালবিলম্ব নয় অবিলম্বে ভাবতে হবে দেশবাসীর/সদাশয় সরকার এগিয়ে আসবে করবে প্রতিকারের সুনজর/অবিলম্বে করবে ব্যবস্থা স্বাস্থ্য বীমা আর স্বাস্থ্যনীতির/রক্ষা করবে মানদ- খাবার জল ঔষধসহ সব কিছুর’ অবশ্য তিনি এ লিরিকের থিম প্রসঙ্গে লিখেছেন, ‘খাবার পানীয় বিশুদ্ধ নির্মল ও নিরাপদ হওয়া কাম্য। ভেজাল খাবার আর পানীয় বিষস্বরূপ কাজ করে। ভেজালের কারণে মানুষ বিষাক্ততায় আক্রান্ত হয়ে অকালে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুবরণ করছে। সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে দেশের মানুষকে বাঁচানোর জন্য। অন্যথায় দেশ ও রাষ্ট্রের অপূরণীয় ক্ষতি হবে।’
আর একই ধরনের বক্তব্য উঠে এসেছে নিরাপদ খাদ্য নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে। সেমিনারে বক্তারা বলেছেন, কৃষক যাতে সঠিক সময়ে সঠিক তথ্য, কৃষি উপকরণ পায় সে বিষয়ে আমরা কাজ করছি। এজন্য পণ্যের ব্র্যান্ডিং ও বাজারজাতকরণ সম্পর্কে অনেক ভালোভাবে জানতে পারবে। কৃষি উৎস একটি সামাজিক উদ্যোগ, যার লক্ষ্য ক্ষুদ্র কৃষক ও তার পরিবারের জন্য খাদ্যের উন্নয়ন ও পুষ্টির নিরাপত্তা। আর এ কাজটি হবে কৃষি উপাদান সংগ্রহে টেকসই দোকান স্থাপনের মাধ্যমে যেখানে উচ্চমানের উপকরণ ও সেবা প্রদানের ব্যবস্থা থাকবে। আমরা বিশ্বাস করি, এই ভ্যালু চেইনের মধ্যে এটা হবে একটি টেকসই ও রূপান্তরমূলক হস্তক্ষেপ। বাংলাদেশে এখন নিরাপদ খাদ্য দরকার। নিরাপদ খাদ্য নিয়ে নানা মহলে না কথা হচ্ছে। মিডিয়ায় ফরমালিন নিয়ে লেখালেখি হলো। এতে মানুষ খাবার কেনা বন্ধ করে দিল। এতে তারা পুষ্টি ও খাদ্য সমস্যায় পড়ছে। নিরাপদ খাদ্য নিয়ে সঠিক তথ্য কিংবা প্রতিষ্ঠানের দায়বদ্ধতা না থাকায় মানুষের নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বলা হয়, ‘বিশ্বব্যাপী টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রথম দিকের লক্ষ্যমাত্রাগুলোর মধ্যে খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, পুষ্টির বিষয়গুলো আছে। টেকসই উন্নয়নের জন্য নিরাপদ খাদ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা দুটোই দরকার। এ বিষয়ে নিশ্চিত করা না গেলে স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধান করা যাবে না। শাক-সবজিতে বিকালে কীটনাশক দিয়ে সকালে তা বিক্রি করছে কৃষক। কেউ এটা জেনে করছে, কেউ খারাপ উদ্দেশ্যে করছে। এ কারণেই আমাদের খাদ্য অনিরাপদ। বক্তারা বলনে, দেশের চর, হাওরাঞ্চলসহ প্রান্তিক এলাকায় অনেক খাদ্য উৎপাদন হয়। তবে বাজার ব্যবস্থাপনার অভাবে কৃষক তার ফসলের ভালো দাম পায় না। এতে একদিকে সে খাদ্যে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে, অন্যদিকে আর্থিকভাবে সমস্যায় পড়ে। এ অবস্থায় এসব প্রজেক্টে পণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, বিপণন, পুষ্টি, নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করছে। পুরো বিষয়টি ‘ভালো একটি ভ্যালু চেইন’ তৈরির জন্য করছে সংস্থাটি। এর বাস্তবায়ন হলে কৃষক যখন খাদ্যের মান নিয়ে সচেতন হবে তখন খাদ্যে নিরাপত্তা বাড়বে। এ ছাড়া কৃষির উৎস প্রকল্পে কেয়ার বাংলাদেশ খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে কাজ করবে। এজন্য প্রকল্পের ক্ষুদ্র দোকান মালিক, কৃষক ও নারী কৃষকদের নিয়ে কাজ করবে। যেখানে এদের গুণগতমানের পণ্য ও সেবা দেয়া হবে। এ প্রকল্পের আওতায় ৬৫ হাজার ক্ষুদ্র কৃষক এবং এর মধ্যে ২৬ হাজার নারী কৃষক নিয়ে আগামী ৩ বছর কাজ করবে।
খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্পের আওতায়, এফএও বাংলাদেশে একটি দক্ষ ও উন্নত জাতি গঠনের জন্যই খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে, যা জনস্বাস্থ্য এবং খাদ্য বাণিজ্য জোরদারে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। এ প্রকল্প বাংলাদেশর নাগরিকদের উন্নত জনস্বাস্থ্যসেবা পেতে ভূমিকা রাখছে। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে প্রকল্পটি ২০১২ সালে চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা গবেষণাগার, একটি জাতীয় খাদ্যবাহিত রোগ নজরদারি পদ্ধতি, প্রশিক্ষিত ও ভালো উৎসের খাদ্য এবং রোগ-জীবাণু পর্যবেক্ষক, ভোক্তা সচেতনতা প্রচারণা এবং মৎস্য, হাঁস-মুরগি চাষ ও ভ্যালু চেইনে স্বাস্থ্যসম্মত কৃষিসংক্রান্ত পদ্ধতির বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য ফল পাওয়া গেছে। এ প্রকল্পগুলো সপ্তম পঞ্চমবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০), এইচপিএনএসডিপি, জাতীয় খাদ্যনীতি ও কর্মপরিকল্পনা এবং জাতীয় পুষ্টিনীতি ২০১৫সহ জাতীয় নীতি ও কৌশল পরিকল্পনায় অবদান রাখবে। আমাদের প্রত্যাশা থাকবে সরকারপ্রধান হিসেবে বঙ্গবন্ধুতনয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ঘোষিত ‘ভিশন-২০২১’ বাস্তবায়নে সবার জন্য নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তাবিধানে গুরুত্ব দিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তর-অধিদপ্তরকে নিয়ে দ্রুত কাজ করতে নির্দেশনা প্রদান করবেন। কারণ সুস্থসবল মানুষ ছাড়া একটি জাতিকে উন্নয়ন-উৎপাদনের মাধ্যমে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব হয় না।
মোতাহার হোসেন: সাংবাদিক ও কলাম লেখক

আরও দেখুন

01

মা-বাবার ঠাঁই কেন বৃদ্ধাশ্রমে

মীর আব্দুল আলীম সেদিন রাজধানী ঢাকার এক বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে চোখের জল আর ধরে রাখতে পারিনি। ...

Leave a Reply

%d bloggers like this: