সর্বশেষ সংবাদ
সেই অস্ট্রেলীয় সিনেটরের বিরুদ্ধে পিটিশনে ১০ লাখ সাক্ষর! সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে ১৩ হাজার মুসলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে : চীন ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের হামলায় সৌদি-সুদানের ৩৭ সেনা নিহত বাকশাল থাকলে নির্বাচন নিয়ে কোনো বিতর্ক থাকতো না: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রকে মহল বিশেষের অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি না করে বড় পরিসরে অনুসন্ধান করে তথ্যবহুল প্রতিবেদন প্রকাশের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আগামী ২৩ মার্চ ডাকসুর প্রথম কার্যকরী সভা রাজধানীর প্রগতি সরণিতে বাসচাপায় শিক্ষার্থী নিহত, সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ গাইবান্ধার ৫টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফল কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম ও চান্দিনায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত, ২ হিন্দু-মুসলিম দুই মহিলা পরস্পরের স্বামীকে দান করলেন কিডনি!
হোম / স্বাস্থ্য-সংবাদ / ২০ মের আগ পর্যন্ত আম খাওয়া এড়িয়ে চলুন
download

২০ মের আগ পর্যন্ত আম খাওয়া এড়িয়ে চলুন

স্টাফ রিপোর্টার
মৌসুম শুরু না হলেও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে পাকা আম। দামও চড়া। রসনা তৃপ্ত করতে ভোক্তারা আম কিনছেনও। কিন্তু আমের প্রকৃত স্বাদ থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন। গবেষকরা বলছেন, এই আমগুলোর বেশিরভাগই কার্বাইড দিয়ে পাকানো। রাসায়নিক উপাদান দিয়ে পাকানো আম স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সেগুলো না খেয়ে ভোক্তাদের ২০ মের পর আম খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কৃষি ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা। গবেষকরা বলছেন, একমাত্র গুটি আমই পাকতে শুরু করে মের প্রথম সপ্তাহে। সেগুলো সাতক্ষীরা জেলায় পাওয়া যায়, তাও সীমিত আকারে। তাছাড়া গোবিন্দভোগ পাকে ২৫ মের পর, গুলাবখাস ৩০ মের পর, গোপালভোগ ১ জুনের পর, সুন্দরী ১ জুনের পর, রানিপছন্দ ৫ জুনের পর, হিমসাগর বা ক্ষীরসাপাত ১২ জুনের পর, ল্যাংড়া ও বোম্বোই ১৫ জুনের পর, লক্ষণভোগ ২০ জুনের পর, হাড়িভাঙ্গা ২০ জুনের পর, আ¤্রপলি ও মল্লিকা ১ জুলাই থেকে, ফজলি ও লখনা পাকতে শুরু করে ৭ জুলাইয়ের পর। তবে সবচেয়ে দেরিতে পাকে আশ্বিনা জাতের আম, ২৫ জুলাই থেকে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের পরিচালক (পুষ্টি) মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি আম পাকার নির্দিষ্ট সময় আছে। ২০ মের আগে প্রাকৃতিকভাবে পাকা আম পাওয়া সম্ভব নয়। বাজারে যে আম দেখা যায় তার শতভাগই কার্বাইড দিয়ে পাকানো। বেশিরভাগ আমই ভারত থেকে আসে। তিনি বলেন, অসময়ে আম পেড়ে বাক্সে ভর্তি করে ক্যালসিয়াম কার্বাইড দিয়ে বাক্স আটকে দেয়া হয়। এতে কার্বাইডে গরম বাষ্প হওয়ার কারণে আমগুলো পেকে যায়। এই গবেষক বলেন, যে আম বাজারে পাওয়া যাচ্ছে তা অপরিপক্ব। বীজগুলো দেখলেই তার প্রমাণ মিলবে। খেলে দেখা যাবে জিহ্বা এবং ঠোটে এলার্জি ভাব সৃষ্টি হয়েছে। এই আম খেলে স্বল্প মেয়াদি হিসাবে এলার্জি, আলসার, পাকস্থলিতে পীড়া হতে পারে। আর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির মধ্যে রয়েছে ক্যান্সারসহ জটিল একাধিক রোগ। তিনি এ আম না কেনার পরামর্শ দেন। তিনি মনে করেন, এ বিষয়ে ভোক্তাদেরও সচেতন হওয়া উচিত। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, দেশের ১,০৬০,০০০ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জেই আবাদ হয় ২৪,০০০ হেক্টর জমিতে। এছাড়া ঠাকুরগাঁওয়ে ৮,০০০ হেক্টর, দিনাজপুরে ৪,০০০ হেক্টর, সাতক্ষীরায় ৩,৬০০ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়। বিশ্বের সিংহভাগ আম উৎপাদিত হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে। শীর্ষে আছে ভারত। দেশটিতে আম উৎপাদনের পরিমাণ বছরে ১ কোটি ৫৫ লাখ ৫০ হাজার টন। এর একটা বড় অংশ সরবরাহ হয় বাংলাদেশে।

আরও দেখুন

06-

যেসব ছোট ছোট বিপদ সংকেতের মাধ্যমে বুঝবেন সামনে বড় বিপদ

এম সংবাদ লাইফস্টাইল: আমাদের শরীর প্রকৃতির বড় একটি বিস্ময়। অনেক সময়ে বড় কোনো অসুখ শরীরে ...

Leave a Reply

%d bloggers like this: